জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু!
আজ আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের একটি দিন। আমাদের প্রিয় নেত্রী, মাদার অব হিউম্যানিটি, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ কর্তৃক বিশ্বের ২য় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। এই স্বীকৃতি কেবল তাঁর একার নয়, এটি সমগ্র বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের সম্মান।
কেন এই স্বীকৃতি আমাদের জন্য বিশেষ?
জাতিসংঘের এই মনোনয়ন প্রমাণ করে যে, দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসিকতা এবং মানবকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ থাকলে একটি উন্নয়নশীল দেশকেও বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করানো যায়। বিশেষ করে:
উন্নয়নের মডেল: তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভাবনীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।
মানবিকতা: রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে তিনি যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।
নারীর ক্ষমতায়ন: তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত নারীর অধিকার ও নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
একজন কর্মীর অনুভূতি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, শেখ হাসিনার এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি আমাদের মতো তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদের আরও উদ্যমী করে তুলবে। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে শত বাধা পেরিয়ে নিজের লক্ষ্য স্থির রাখতে হয়। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি দেখেছি, বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তাঁর আপসহীন অবস্থান আমাদের আইনি অঙ্গনকেও সমৃদ্ধ করেছে।
স্মার্ট বাংলাদেশের পথে এক ধাপ এগিয়ে
২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের যে লক্ষ্য আমরা হাতে নিয়েছি, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সেই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। আমরা গর্বিত যে আমাদের নেতৃত্বে এমন একজন নেত্রী আছেন, যাঁর দূরদর্শিতা আজ জাতিসংঘে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
উপসংহার
দেশরত্ন শেখ হাসিনার এই অনন্য অর্জনে আমি তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি, যেন তিনি আরও দীর্ঘ সময় আমাদের আলোর পথ দেখাতে পারেন।
শুভেচ্ছান্তে,
মহিমা বিশ্বাস আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)